পোস্টের কোড : 2051 9 পরিদর্শন

তেহরানকে নতিস্বীকার বাধ্য করাই উদ্দেশ্য আমেরিকার নতুন নিষেধাজ্ঞা

পরমাণু সমঝোতা থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর আমেরিকা ইরানের বিরুদ্ধে একের পর এক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেই চলেছে। ইরান ইরাকে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর পর ওয়াশিংটন নতুন করে ফের তেহরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।

মার্কিন অর্থমন্ত্রণালয় গতকাল এক বিবৃতিতে ইরানের নীতি নির্ধারণী পরিষদের সচিব মোহসেন রেজায়ি, সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব আলী শামখানি, আইআরজিসি'র সমন্বয়কারী সচিব মোহাম্মদ রেজা নাগদিসহ মোট ৮ জন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। নিষেধাজ্ঞার ফলে এই  আট ব্যক্তি আমেরিকায় ভ্রমণ করতে পারবে  না এবং আমেরিকায় তাদের সম্পদ জব্দ করা হবে। তবে ইরানের এসব কর্মকর্তা বহুবার আমেরিকায় তাদের কোনো সম্পদ থাকার কথা অস্বীকার করেছেন এবং বলেছেন, এ ধরণের নিষেধাজ্ঞাকে তারা ভয় পায় না।

কিছু ব্যক্তির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা ছাড়াও আমেরিকা ইরানের ধাতব উৎপাদন কারখানা, খনিজ সম্পদ আহরণ বিষয়ক প্রতিষ্ঠানগুলো, ইরানের ধাতব পন্যবহনকারী একটি জাহাজ এবং চীনের তিনটি প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। মার্কিন অর্থমন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিষেধাজ্ঞার নির্দেশ জারি করে তাতে সই দিয়েছেন যাতে ইরানের খনিজ, অবকাঠামো ও নির্মাণ শিল্প স্থবির হয়ে পড়ে।

ইরান ইরাকে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালানোর পর গত বুধবার এক প্রতিক্রিয়ায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নরম প্রতিক্রিয়া জানালেও তিনি ইরানের বিরুদ্ধে পুরানো অভিযোগের পুনরাবৃত্তি করেন এবং ফের নিষেধাজ্ঞা আরোপের হুমকি দিয়েছিলেন। ইরানের ওপর সর্বোচ্চ চাপ সৃষ্টির অংশ হিসেবে এ নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়। মার্কিন প্রশাসন বহুবার বলেছে, তাদের ইচ্ছেমত বিভিন্ন বিষয়ে ইরানের সঙ্গে নতুন করে চুক্তিতে উপনীত হওয়াই এসব নিষেধাজ্ঞা উদ্দেশ্য। তারা এও বলেছে এ নিষেধাজ্ঞা হবে নজিরবিহীন যাতে তেহরান ওয়াশিংটনের অবৈধ দাবির কাছে আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয়। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও বলেছেন, ইরানের নীতিতে পরিবর্তন আনাই এসব নিষেধাজ্ঞার উদ্দেশ্য।

0
সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটে শেয়ার করুন:
फॉलो अस
नवीनतम