পোস্টের কোড : 2015 20 পরিদর্শন

পরাজয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে জেনারেল সোলাইমানিকে হত্যা করেছে ট্রাম্প

তিনি আজ (রোববার) লেবাননের বৈরুতে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী আইআরজিসি'র কুদস ফোর্সের প্রধান কাসেম সোলাইমানি ও ইরাকের হাশদ আশ শাবির সেকেন্ড ইন কমান্ড আবু মাহদি আল মুহানদিসের শাহাদাতের স্মরণে বিশেষ অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন।

নাসরুল্লাহ বলেন, জেনারেল সোলাইমানি এবং আবু মাহদি'র লক্ষ্য ও আকাঙ্খা ছিল শাহাদাৎ। তারা তাদের লক্ষ্যে পৌঁছে গেছেন।

তিনি বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সরাসরি নির্দেশে তাদেরকে হত্যা করা হয়েছে। ট্রাম্প প্রকাশ্য এই অপরাধের কথা স্বীকার করেছে। হিজবুল্লাহ মহাসচিব আরও বলেন- সিরিয়া, লেবানন, ফিলিস্তিন, ইরাক, ইয়েমেনে প্রতিরোধ ফ্রন্টের একের পর এক বিজয় এবং আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের কারণে ট্রাম্প প্রকাশ্যে এই অপরাধের কথা স্বীকার করেছে। তিনি আরও বলেন, ইরানের মোকাবেলায় পরাজয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে জেনারেল সোলাইমানিকে হত্যা করেছে ট্রাম্প।

নাসরুল্লাহ আরও বলেন, ট্রাম্প চেয়েছিলেন ইরানের ইসলামি সরকার ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দিতে। তিনি ভেবেছিলেন এটা সম্ভব না হলেও ইরানকে নতজানু এবং বিভিন্ন ইস্যুতে একটি নতুন চুক্তি করা সম্ভব হবে। কিন্তু সেটাও তিনি পারেন নি। হাসান নাসরুল্লাহ বলেন, প্রতিরোধ সংগ্রামকে সীমাবদ্ধ করার কোনো চেষ্টাই কাজে আসবে না। ট্রাম্প নিজেও জানে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ মানেই মহা ঝুঁকি।

জেনারেল সোলাইমানিকে হত্যা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অনেকেই বলছেন প্রতিরোধ সংগ্রামের উচিৎ জেনারেল সোলাইমানির পর্যায়ের কাউকে হত্যা করে কিসাস করা উচিৎ। কিন্তু এই শহীদের সমপর্যায়ের কোনো ব্যক্তিত্বতো নেই।

লেবাননের মহাসচিব বলেন, ডোনাল্ড ট্রাম্প জেনারেল সোলাইমানির জুতার সমতুল্যও নন। ন্যায়সঙ্গত কিসাস হচ্ছে এই অঞ্চল থেকে আমেরিকাকে বের করে দেওয়া।

0
সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটে শেয়ার করুন:
फॉलो अस
नवीनतम